রাতে ঘুমানোর আগে পানি পান করলে কি হয় জানেন ?

পানি পান করলে কি হয় জানেন ?
রাতে ঘুমোতে যাওয়া আগে বেশি নয়, মাত্র এক গ্লাস পানি খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকেরা।

১. মানসিক অবসাদের মতো সমস্যা দূরে থাকে: রাত্রে শুতে যাওয়ার আগে পানি পান না করলে দেহের ভেতরে এত মাত্রায় পানির ঘাটতি দেখা দেয় যে, যা ডিপ্রেশনের মতো সমস্যাকে আমন্ত্রণ জানিয়ে নিয়ে আসে। সেই সঙ্গে যুক্ত হয় অ্যাংজাইটিও। তাই এমন ঘটনা যাতে না ঘটে তা সুনিশ্চিত করতেই ঘুমতে যাওয়ার আগে এক গ্লাস পানি খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকেরা। প্রসঙ্গত, এমন অভ্যাস করলে মন-মেজাজ তো চাঙ্গা হয়ে ওঠেই, সেই সঙ্গে ঘুমও বেশ ভল মতই হয়।
২. শরীরের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়: বেশ কিছু স্টাডিতে দেখা গেছে রাত্রিরে শুতে যাওয়ার আগে কম করে এক গ্লাস পানি পান করলে পেশি এবং জয়েন্টের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে, সেই সঙ্গে এনার্জি লেভেলও বাড়ে। শুধু তাই নয়, দেহের ভেতরে পানির ঘাটতি মেটার কারণে গুরুত্বপূর্ণ কিছু হরমোনের ক্ষরণও ঠিক মতো হতে শুরু হয়। ফলে সার্বিকভাবে শরীর চাঙ্গা হয়ে উঠতে যে সময় লাগে না।

ডিম্বপাত কি? what is ovulation?

গর্ভধারণের জন্য নারীদের শরীরে থাকতে হয় ডিম্বাণু। এই ডিম্বাণু জন্ম থেকেই একটা নির্দিষ্ট পরিমাণে থাকে নারীর শরীরে।এটা সময়ের সাথে সাথে কমে যায়,নতুন করে তৈরি হয় না। অনেকেই এব্যাপারটা জানেন না এবং মনে করেন ডিম্বাণু আবার নতুন করে তৈরিহবে।ঋতুস্রাবের ঠিক ১৪ দিন আগে
ডিম্বপাত হয় এবং এই সময়টায়গর্ভধারণের সম্ভাবনা বেশি  থাকে,


ডিম্বপাত (ovulation) হয় তখনই, যখন একটি পরিপক্ব ডিম্বাণু ডিম্বাশয় থেকে বের হয় এবং ফেলোপিয়ান নালীতে গিয়ে পৌছায়। এবং নিষিক্ত (fertilization) হওয়ার জন্য অপেক্ষা করে। প্রতিমাসে নারীর দুটি ডিম্বাশয় এর যেকোন একটিতে একটি ডিম্বানু পরিপক্ব হয়,
অতঃপর ফেলোপিয়ান নালী তে পৌছায়। এই ফেলোপিয়ান নালী তখন ডিম্বাণুকে জরায়ু(uterus) তে পৌছে দেয়। আর আর জরায়ুতে শুক্রানু আগমন করলে তা ডিম্বানুকে নিষিক্ত করে জাইগোট তৈরী করে। নিষিক্ত হওয়ার ঘটনাকে গর্ভধারণ বলে।

বয়স বাড়লে যৌনাঙ্গের যে পাচটি পরিবর্তন হয়?

 ডা: এস কে দাস:
বয়সের সঙ্গে যৌনাঙ্গের এই পাঁচটি পরিবর্তন অনিবার্য। 

১. টেস্টোস্টেরনের মাত্রা ক্রমশ কমবে
পুরুষের বয়স বাড়ার সঙ্গেই টেস্টোস্টেরনের মাত্রা কমতে থাকে। ফলে যৌবনকালের মতো সহজে পুরুষাঙ্গ দৃঢ় হয় না। জাগাতে অনেক সাধ্যসাধনা করতে হয়। দেখা দেয় ইরেকটাইল ডিসফাংশানের মতো যৌন সমস্যা। সাধারণত ৪০-এর পর থেকেই যৌনশক্তি কমতে থাকে। ৭০ বছর পর্যন্ত নানাবিধ পরিবর্তন হতে থাকে। তবে স্ট্রেস থেকে ৪০-এর আগেও অনেকে ইরেকটাইল ডিসফাংশানে ভোগেন।
২. পেনিসের রং বদলায়
বয়স বাড়ার সঙ্গেই আমাদের ধমনী শক্ত হতে থাকে। মেডিক্যালের পরিভাষায় যাকে বলা হয়, অথেরোস্কলেরোসিস। যার দরুন পুরুষাঙ্গে পরিস্রুত রক্তের প্রবাহ কম হতে থাকে। ফলে পেনিসের রং গাঢ় থেকে ক্রমে হালকা হয়। একই সঙ্গে পেনিসের গঠনও বদলাতে থাকে। লিঙ্গের মাথার স্বাভাবিক রং-ও বদলায়। মাথায় চুল কমে আসার মতোই যৌনকেশও পাতলা হতে থাকে।

যৌন বিষয়ে কিছু সমস্যা ও সমাধান

ডাঃ এস কে দাসঃ 


চিকিৎসকের কাছে চিঠি লিখে অনেকেই নানা যৌন বিষয়ে সমাধান জানতে চান। অনেক সময় এমন বিষয় নিয়ে প্রশ্ন আসে, যা বাস্তবে কোনো সমস্যাই নয়, নিতান্তই ভুল ধারণা। এছাড়া কিছু সমস্যা রয়েছে, যা সহজেই সমাধান করা যায়। এ লেখায় রয়েছে যৌন বিষয়ে কিছু সমস্যা ও সমাধান। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে গার্ডিয়ান।
আমার যৌন আকাঙ্ক্ষা কোথায় গেল এবং তা কিভাবে ফিরিয়ে আনা সম্ভব?
অনেকেরই নানা কারণে যৌন আকাঙ্ক্ষা একেবারে চলে যেতে পারে। এর পেছনে মানসিক বা শারীরিক কিংবা উভয় ধরনের কারণই থাকতে পারে। বর্তমানে দেখা যায় ব্যস্ত নাগরিক জীবনে নানা চাপে অনেকের যৌন আকাঙ্ক্ষা একেবারে চলে যায়। এক্ষেত্রে উদ্বেগ, মানসিক চাপ, বিষণ্ণতা, বাড়তি কাজের দায়িত্ব, আচরণ ও আবেগগত নানা সমস্যা দায়ী। অনেকেই যৌনতা বিষয়ে অস্বস্তি, নিরাপত্তার অভাব ইত্যাদি কারণে উদ্বেগে যৌনতা থেকে দূরে থাকেন।

দ্রুত বীর্যপাতের সমস্যা এবং এর কারণসমূহ ।

বীর্যপাতের সমস্যা-কারণ
বিভিন্ন ব্যক্তির বিভিন্ন কারণে বীর্যপাতের বিভিন্ন রকম সমস্যা হতে পারে। অনেক সময় শারীরিক বা মানসিক কারণে এই সমস্যাটি হতে পারে। যেমনঃ যদি কারও কোন শারীরিক সমস্যার কারণে পুরুষাঙ্গ সুদৃঢ় করে রাখতে সমস্যা হয়ে থাকে, তাহলে তা থেকে তৈরি হওয়া উদ্বেগের কারণে দ্রুত বীর্যপাত ঘটতে পারে।

নিয়মিত খেজুর খেলে আপনি যে উপকার পাবেন।

খেজুরের ১৫টি ঔষধি গুণ- মরুঅঞ্চলের ফল খেজুর। পুষ্টিমানে যেমন এটি সমৃদ্ধ, তেমনি এর রয়েছে অসাধারণ কিছু ঔষধিগুণ। চিকিৎসাবিজ্ঞানে বলা হয়েছে, সারা বছর খেজুর খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। এছাড়া, এই ফলটিতে রয়েছে প্রাণঘাতী রোগ নিরাময়ের ক্ষমতা। তাই বলা হয়, দিনে ৫টি করে খেজুর খাওয়ার অভ্যাস রাখা উচিত। তাহলে হাজারো ধরনের শারীরিক সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। তবে আর দেরি না করে চলুন জেনে নেই খেজুরের কিছু ঔষধি গুণাগুণ সম্পর্কে।
১. রুচি বাড়াতে খেজুরের কোন তুলনা হয় না। অনেক শিশুরা তেমন একটা খেতে চায় না, তাদেরকে নিয়মিত খেজুর খেতে দিলে রুচি ফিরে আসবে।

২. তুলনামূলকভাবে শক্ত খেজুরকে জলে ভিজিয়ে (সারা রাত) সেই জল খালি পেটে খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়। তাজা খেজুর নরম এবং মাংসল যা সহজেই হজম হয়।

স্বামী-স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ এক হলে কি হয় জানেন?

ডাঃ এস কে দাস: সমাজে বিয়ে করার মাধ্যমে সামাজিক বন্ধন গড়ে ওঠে। এরপর ভবিষ্যৎ প্রজন্ম নিয়ে ভাবাভাবি শুরু। বিয়ের আগে আমরা পরিবার, আত্মীয়-স্বজন এসমস্ত সকল বিষয়ে যাবতীয় খোঁজ খবর নিয়ে থাকি। কিন্তু, সবচেয়ে প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হলো স্বামী-স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ সংক্রান্ত ব্যাপারটি ।যেটা সব থেকে আগে জানা দরকার। কিন্তু আমরা অধিকাংশ মানুষই এই বিষয় টার দিকে কোন ধরনের নজর দেই না।তাই আমাদের আজগের আলোচনার মূল বিষয় এটি।
চলুন জেনে নেই এবং আমাদের ভুল গুলো সুদ্রে নেই।
স্বামী-স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ এক হলে কোনো সমস্যা হয় কি? অনেকের মধ্যে এমন অজানা একটি প্রশ্ন জাগে। যা নিয়ে তারা অযথা দুশ্চিন্তা করে থাকেন। কিন্তু চিকিৎসকদের মতে, ‘এতে কোনো সমস্যাই হয় না।’
গোটা পৃথিবীতে রক্তের গ্রুপ ৩৬ শতাংশ ‘ও’ গ্রুপ, ২৮ শতাংশ ‘এ’ গ্রুপ, ২০ শতাংশ ‘বি’ গ্রুপ। কিন্তু এশিয়াতে প্রায় ৪৬ ভাগ মানুষের রক্তের গ্রুপ ‘বি। এশিয়ায় নেগেটিভ ব্লাড গ্রুপ ৫ শতাংশ, সেখানে ইউরোপ আমেরিকাতে প্রায় ১৫ শতাংশ।

কীভাবে বুঝবেন আপনার রক্তচাপ বেড়েছে

ডা: এস কে দাস:
বহু মানুষ উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় ভোগেন। কারও কারও ক্ষেত্রে প্রথম থেকেই বুঝতে না পারার জন্য রক্তচাপের পরিমান অতিরিক্ত বেড়ে যায়। সঠিক সময়ে চিকিত্‌সকের কাছে না গেলে তা ভয়ঙ্কর হতে পারে। তাই উচ্চ রক্তচাপের লক্ষণগুলো জেনে রাখা খুব দরকার। যদিও উচ্চ রক্তচাপের তেমন কোনও লক্ষণ বোঝা যায় না। একে তাই সাইলেন্ট কিলার ও বলা হয়। যতক্ষণ না পর্যন্ত মাপা হচ্ছে, ততক্ষণ বেশিরভাগ মানুষ বুঝতেই পারেন না যে, তাঁর রক্তচাপবেড়েছে। তাও যে যে লক্ষণগুলি শরীরে অনুভব করলেই চিকিত্‌সকের কাছে যাওয়া দরকার সেগুলো জেনে নিন-

সোরিয়াসিস(psoriasis) রোগের চিকিৎসা সফলতা অর্জন


সোরিয়াসিস বা Psoriasis  ত্বকের একটি প্রদাহজনিত রোগ। জনসংখ্যার ২-৪% এ রোগে আক্রান্ত হতে পারে।
নারী-পুরুষ নির্বিশেষে যে কোনো বয়সী এ রোগে আক্তান্ত হতে পারেন। তবে তিরিশোর্ধ্ব  ব্যক্তিরা বেশি আক্রান্ত হন। তবে, এটি কোনো সংক্রামক রোগ নয়। কাজেই সংস্পর্শের মাধ্যমে ছড়ায় না। কিভাবে হয় : সাধারণত আমাদের ত্বকের কোষসমূহ একটি বিশেষ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্দিষ্ট সময় পর পর ঝরে যায় এবং নতুন কোষ তৈরি হয়। প্রক্রিয়াটি খুবই সমন্বিতভাবে হয়ে থাকে বিধায় স্বাভাবিকভাবে বোঝা যায় না। সোরিয়াসিস রোগে ত্বকের ইপিডারমিস এ অবস্থিত কোষসমূহ খুব দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং ত্বকের উপরে এক ধরনের প্লাক তৈরি করে। লক্ষণ অনুযায়ী এ রোগ কয়েক ধরনের হতে পারে।
লক্ষণ কি : আক্রান্ত অংশে রুপালি সাদা আঁশ দ্বারা আবৃত, উজ্জ্বল লালচে বর্ণের প্লাক বা ক্ষত দেখা যায়। সাধারণত মৃদু চুলকানি অনুভূত হতে পারে। এ রোগের কয়েকটি ধরন রয়েছে। ধরন অনুযায়ী তারতম্য হতে পারে।

ফ্রি ঔষধ সেবন করে ডায়াবেটিকস থেকে চিরতরে মুক্ত হন।

ডাঃ এস কে দাস: ডায়াবেটিস সম্পূর্ণ নিমূর্ল করার জন্ আমার এই ফরমূলাটি অনুসরন করলে শতকরা ৯৫ ভাগ ডায়াবেটিস রোগী পু্রোপুরি ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রন করতে পারবে বলে আমি আশাবাদী।
ডায়াবেটিস হলো এমন এক শারীরিক অবস্থা যখন রক্তে সুগারের মাত্রা বেশী থাকে- হয় প্যানক্রিয়াস যথেষ্ট পরিমাণ ইনসুলিন উৎপন্ন করতে পারে না অথবা কোষগুলো উৎপাদিত ইনসুলিনে কোন প্রতিক্রিয়া দেখায় না। আর এই হাই সুগারের কারণেই দেখা যায় ডায়াবেটিস এর চিরচেনা লক্ষণ-বারংবার মূত্রবেগ, ক্ষুধার এবং তৃষ্ণার আধিক্য। ডায়াবেটিস মূলত তিন ধরনের হয়ে থাকেঃ
*টাইপ ১ ডায়াবেটিসঃ শরীর যখন প্রয়োজনীয় ইনসুলিন উৎপাদন করতে পারে না তখন তাকে টাইপ ১ ডায়াবেটিস বলে।
*টাইপ ২ ডায়াবেটিসঃ আর শরীর যখন উৎপাদিত ইনসুলিন ব্যবহার করতে পারে না তখন তাকে টাইপ ২ ডায়াবেটিস বলে।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে ১১ টি হোমিওপ্যাথিক ঔষধ

ডা: এস কে দাস : ডায়াবেটিস হলো এমন এক শারীরিক অবস্থা যখন রক্তে সুগারের মাত্রা বেশী থাকে- হয় প্যানক্রিয়াস যথেষ্ট পরিমাণ ইনসুলিন উৎপন্ন করতে পারে না অথবা কোষগুলো উৎপাদিত ইনসুলিনে কোন প্রতিক্রিয়া দেখায় না। আর এই হাই সুগারের কারণেই দেখা যায় ডায়াবেটিস এর চিরচেনা লক্ষণ-বারংবার মূত্রবেগ, ক্ষুধার এবং তৃষ্ণার আধিক্য। ডায়াবেটিস মূলত তিন ধরনের হয়ে থাকেঃ
*টাইপ ১ ডায়াবেটিসঃ শরীর যখন প্রয়োজনীয় ইনসুলিন উৎপাদন করতে পারে না তখন তাকে টাইপ ১ ডায়াবেটিস বলে।
*টাইপ ২ ডায়াবেটিসঃ আর শরীর যখন উৎপাদিত ইনসুলিন ব্যবহার করতে পারে না তখন তাকে টাইপ ২ ডায়াবেটিস বলে।
*আর যখন কোন গর্ভবতী নারীর পূর্বের কোন ডায়াবেটিসের ইতিহাস না থাকা সত্ত্বেও গর্ভকালীন সময় হঠাৎ সুগার বেড়ে যায় তখন তাকে গেস্টেশনাল ডায়াবেটিস বলে।
ডায়াবেটিস রোগের কারণ অনেক কিছুই হতে পারে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলোঃ
*বংশগত ঃ পিতৃ বা মাতৃকুলে কারো এই রোগ থাকলে, বিশেষত উভয়কুলে থাকলে ডায়াবেটিস হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।
*স্থূলতা ঃ যাদের দৈহিক ওজন বেশী তাদেরও এ রোগ হতে পারে।
*অধিক ভোজন ঃ বেশী আহারের ফলে অগ্ন্যাশয় দুর্বল হয়ে পড়ে।
*ভাইরাস ঘটিত ঃ যদিও ডায়াবেটিস সংক্রামক রোগ নয়, তবু ভাইরাসের সংক্রমণে এ রোগের উৎপত্তি হতে পারে। তবে এর আসল রহস্য এখনও জানা যায়নি।
*মানসিক চাপ ঃ মানসিক চাপ, চিন্তা, হতাশাজনিত স্নায়ুর চাপে ডায়াবেটিস হতে পারে। চিন্তার ফলে এড্রিনালিন ও কর্টিজোন হরমোনের অধিক ক্ষরণেও ডায়াবেটিস হয়।
হোমিওপ্যাথিতে যেহেতু রোগীকে দেখে এবং রোগীর রোগলক্ষণ বুঝে ঔষধ দেয়া হয় তাই ডায়াবেটিসের মত রোগের ক্ষেত্রেও লক্ষণ ভেদে বেশ কয়েকটি ঔষধ প্রেসক্রাইব করা হয়ে থাকে।

গর্ভাবস্থায় প্রচলিত ৪ ভুল

ডাঃ দাস: গর্ভাবস্থা ব্যবস্থাপনা করা খুব সহজ বিষয় নয়। গর্ভাবস্থায় বাড়তি কিছু যত্ন সব সময় প্রয়োজন। তবে গর্ভাবস্থায় অনেকেই কিছু ভুল করে থাকেন। গর্ভাবস্থায় প্রচলিত কিছু ভুলের কথা নিচে দেওয়া হলো
সিটবেল্ট বেশির ভাগ সময় সন্তানসম্ভবা নারীরা গাড়ির সিটবেল্ট বাঁধেন না ভ্রূণের ক্ষতির কথা ভেবে। তবে সিটবেল্ট না বাঁধলে একটি ছোট দুর্ঘটনাও আপনার ভ্রুণের জন্য মারাত্মক ক্ষতি বয়ে আনতে পারে। তাই সিটবেল্ট বাঁধার বিষয়ে গাইনোকলজিস্টের পরামর্শ নিয়ে নিন।

শিশুর ডায়রিয়ার হোমিও চিকিৎসা

ডাঃ দাসঃ ডায়রিয়া একটি পানিবাহিত রোগ। তাই বর্ষা মওসুমে এর প্রাদুর্ভাবও বেশি। সব বয়সের মানুষের এটা হতে পারে। তবে শিশুদের জন্য এটি একটি বিশেষ গুরুতর সমস্যা। আমাদের দেশে শিশুমৃত্যুর হার অনেক বেশি। ডায়রিয়া এবং এর পরিণতি হিসেবে সৃষ্ট অপুষ্টি ও অন্যান্য রোগ এর জন্য অনেকাংশে দায়ী।
ডায়রিয়া হলে কী করবেন?
১। পানিস্বল্পতা যাতে না হয় সেজন্য শিশুকে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি তরল খাবার দিন। ডায়রিয়ার ফলে শরীর থেকে যতটুকু পানি ও লবণ বেরিয়ে যায় ঠিক এতটুকু পানি ও লবণ যদি সময়মতো পূরণ করা হয় তাহলে ডায়রিয়াজনিত পানিস্বল্পতার কারণে মৃত্যু ঘটে না।
• যেসব তরল খাওয়ানো যেতে পারে : (১) খাবার স্যালাইন, (২) লবণ-চিনি বা গুড়ের শরবত, (৩) ডাবের পানি কিংবা শুধু পানি, (৪) চিড়ার পানি, (৫) ভাতের মাড়, (৬) খাবার পানি।ডায়রিয়া বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত তরল খাবার চালিয়ে যেতে হবে।