Sunday, March 18, 2018

স্বামী-স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ এক হলে কি হয় জানেন?

ডাঃ এস কে দাস: সমাজে বিয়ে করার মাধ্যমে সামাজিক বন্ধন গড়ে ওঠে। এরপর ভবিষ্যৎ প্রজন্ম নিয়ে ভাবাভাবি শুরু। বিয়ের আগে আমরা পরিবার, আত্মীয়-স্বজন এসমস্ত সকল বিষয়ে যাবতীয় খোঁজ খবর নিয়ে থাকি। কিন্তু, সবচেয়ে প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হলো স্বামী-স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ সংক্রান্ত ব্যাপারটি ।যেটা সব থেকে আগে জানা দরকার। কিন্তু আমরা অধিকাংশ মানুষই এই বিষয় টার দিকে কোন ধরনের নজর দেই না।তাই আমাদের আজগের আলোচনার মূল বিষয় এটি।
চলুন জেনে নেই এবং আমাদের ভুল গুলো সুদ্রে নেই।
স্বামী-স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ এক হলে কোনো সমস্যা হয় কি? অনেকের মধ্যে এমন অজানা একটি প্রশ্ন জাগে। যা নিয়ে তারা অযথা দুশ্চিন্তা করে থাকেন। কিন্তু চিকিৎসকদের মতে, ‘এতে কোনো সমস্যাই হয় না।’
গোটা পৃথিবীতে রক্তের গ্রুপ ৩৬ শতাংশ ‘ও’ গ্রুপ, ২৮ শতাংশ ‘এ’ গ্রুপ, ২০ শতাংশ ‘বি’ গ্রুপ। কিন্তু এশিয়াতে প্রায় ৪৬ ভাগ মানুষের রক্তের গ্রুপ ‘বি। এশিয়ায় নেগেটিভ ব্লাড গ্রুপ ৫ শতাংশ, সেখানে ইউরোপ আমেরিকাতে প্রায় ১৫ শতাংশ।

Tuesday, September 19, 2017

কীভাবে বুঝবেন আপনার রক্তচাপ বেড়েছে

ডা: এস কে দাস:
বহু মানুষ উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় ভোগেন। কারও কারও ক্ষেত্রে প্রথম থেকেই বুঝতে না পারার জন্য রক্তচাপের পরিমান অতিরিক্ত বেড়ে যায়। সঠিক সময়ে চিকিত্‌সকের কাছে না গেলে তা ভয়ঙ্কর হতে পারে। তাই উচ্চ রক্তচাপের লক্ষণগুলো জেনে রাখা খুব দরকার। যদিও উচ্চ রক্তচাপের তেমন কোনও লক্ষণ বোঝা যায় না। একে তাই সাইলেন্ট কিলার ও বলা হয়। যতক্ষণ না পর্যন্ত মাপা হচ্ছে, ততক্ষণ বেশিরভাগ মানুষ বুঝতেই পারেন না যে, তাঁর রক্তচাপবেড়েছে। তাও যে যে লক্ষণগুলি শরীরে অনুভব করলেই চিকিত্‌সকের কাছে যাওয়া দরকার সেগুলো জেনে নিন-

সোরিয়াসিস(psoriasis) রোগের চিকিৎসা সফলতা অর্জন


সোরিয়াসিস বা Psoriasis  ত্বকের একটি প্রদাহজনিত রোগ। জনসংখ্যার ২-৪% এ রোগে আক্রান্ত হতে পারে।
নারী-পুরুষ নির্বিশেষে যে কোনো বয়সী এ রোগে আক্তান্ত হতে পারেন। তবে তিরিশোর্ধ্ব  ব্যক্তিরা বেশি আক্রান্ত হন। তবে, এটি কোনো সংক্রামক রোগ নয়। কাজেই সংস্পর্শের মাধ্যমে ছড়ায় না। কিভাবে হয় : সাধারণত আমাদের ত্বকের কোষসমূহ একটি বিশেষ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্দিষ্ট সময় পর পর ঝরে যায় এবং নতুন কোষ তৈরি হয়। প্রক্রিয়াটি খুবই সমন্বিতভাবে হয়ে থাকে বিধায় স্বাভাবিকভাবে বোঝা যায় না। সোরিয়াসিস রোগে ত্বকের ইপিডারমিস এ অবস্থিত কোষসমূহ খুব দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং ত্বকের উপরে এক ধরনের প্লাক তৈরি করে। লক্ষণ অনুযায়ী এ রোগ কয়েক ধরনের হতে পারে।
লক্ষণ কি : আক্রান্ত অংশে রুপালি সাদা আঁশ দ্বারা আবৃত, উজ্জ্বল লালচে বর্ণের প্লাক বা ক্ষত দেখা যায়। সাধারণত মৃদু চুলকানি অনুভূত হতে পারে। এ রোগের কয়েকটি ধরন রয়েছে। ধরন অনুযায়ী তারতম্য হতে পারে।

ফ্রি ঔষধ সেবন করে ডায়াবেটিকস থেকে চিরতরে মুক্ত হন।

ডাঃ এস কে দাস: ডায়াবেটিস সম্পূর্ণ নিমূর্ল করার জন্ আমার এই ফরমূলাটি অনুসরন করলে শতকরা ৯৫ ভাগ ডায়াবেটিস রোগী পু্রোপুরি ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রন করতে পারবে বলে আমি আশাবাদী।
ডায়াবেটিস হলো এমন এক শারীরিক অবস্থা যখন রক্তে সুগারের মাত্রা বেশী থাকে- হয় প্যানক্রিয়াস যথেষ্ট পরিমাণ ইনসুলিন উৎপন্ন করতে পারে না অথবা কোষগুলো উৎপাদিত ইনসুলিনে কোন প্রতিক্রিয়া দেখায় না। আর এই হাই সুগারের কারণেই দেখা যায় ডায়াবেটিস এর চিরচেনা লক্ষণ-বারংবার মূত্রবেগ, ক্ষুধার এবং তৃষ্ণার আধিক্য। ডায়াবেটিস মূলত তিন ধরনের হয়ে থাকেঃ
*টাইপ ১ ডায়াবেটিসঃ শরীর যখন প্রয়োজনীয় ইনসুলিন উৎপাদন করতে পারে না তখন তাকে টাইপ ১ ডায়াবেটিস বলে।
*টাইপ ২ ডায়াবেটিসঃ আর শরীর যখন উৎপাদিত ইনসুলিন ব্যবহার করতে পারে না তখন তাকে টাইপ ২ ডায়াবেটিস বলে।

Saturday, August 26, 2017

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে ১১ টি হোমিওপ্যাথিক ঔষধ

ডা: এস কে দাস : ডায়াবেটিস হলো এমন এক শারীরিক অবস্থা যখন রক্তে সুগারের মাত্রা বেশী থাকে- হয় প্যানক্রিয়াস যথেষ্ট পরিমাণ ইনসুলিন উৎপন্ন করতে পারে না অথবা কোষগুলো উৎপাদিত ইনসুলিনে কোন প্রতিক্রিয়া দেখায় না। আর এই হাই সুগারের কারণেই দেখা যায় ডায়াবেটিস এর চিরচেনা লক্ষণ-বারংবার মূত্রবেগ, ক্ষুধার এবং তৃষ্ণার আধিক্য। ডায়াবেটিস মূলত তিন ধরনের হয়ে থাকেঃ
*টাইপ ১ ডায়াবেটিসঃ শরীর যখন প্রয়োজনীয় ইনসুলিন উৎপাদন করতে পারে না তখন তাকে টাইপ ১ ডায়াবেটিস বলে।
*টাইপ ২ ডায়াবেটিসঃ আর শরীর যখন উৎপাদিত ইনসুলিন ব্যবহার করতে পারে না তখন তাকে টাইপ ২ ডায়াবেটিস বলে।
*আর যখন কোন গর্ভবতী নারীর পূর্বের কোন ডায়াবেটিসের ইতিহাস না থাকা সত্ত্বেও গর্ভকালীন সময় হঠাৎ সুগার বেড়ে যায় তখন তাকে গেস্টেশনাল ডায়াবেটিস বলে।
ডায়াবেটিস রোগের কারণ অনেক কিছুই হতে পারে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলোঃ
*বংশগত ঃ পিতৃ বা মাতৃকুলে কারো এই রোগ থাকলে, বিশেষত উভয়কুলে থাকলে ডায়াবেটিস হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।
*স্থূলতা ঃ যাদের দৈহিক ওজন বেশী তাদেরও এ রোগ হতে পারে।
*অধিক ভোজন ঃ বেশী আহারের ফলে অগ্ন্যাশয় দুর্বল হয়ে পড়ে।
*ভাইরাস ঘটিত ঃ যদিও ডায়াবেটিস সংক্রামক রোগ নয়, তবু ভাইরাসের সংক্রমণে এ রোগের উৎপত্তি হতে পারে। তবে এর আসল রহস্য এখনও জানা যায়নি।
*মানসিক চাপ ঃ মানসিক চাপ, চিন্তা, হতাশাজনিত স্নায়ুর চাপে ডায়াবেটিস হতে পারে। চিন্তার ফলে এড্রিনালিন ও কর্টিজোন হরমোনের অধিক ক্ষরণেও ডায়াবেটিস হয়।
হোমিওপ্যাথিতে যেহেতু রোগীকে দেখে এবং রোগীর রোগলক্ষণ বুঝে ঔষধ দেয়া হয় তাই ডায়াবেটিসের মত রোগের ক্ষেত্রেও লক্ষণ ভেদে বেশ কয়েকটি ঔষধ প্রেসক্রাইব করা হয়ে থাকে।

Sunday, August 13, 2017

গর্ভাবস্থায় প্রচলিত ৪ ভুল

ডাঃ দাস: গর্ভাবস্থা ব্যবস্থাপনা করা খুব সহজ বিষয় নয়। গর্ভাবস্থায় বাড়তি কিছু যত্ন সব সময় প্রয়োজন। তবে গর্ভাবস্থায় অনেকেই কিছু ভুল করে থাকেন। গর্ভাবস্থায় প্রচলিত কিছু ভুলের কথা নিচে দেওয়া হলো
সিটবেল্ট বেশির ভাগ সময় সন্তানসম্ভবা নারীরা গাড়ির সিটবেল্ট বাঁধেন না ভ্রূণের ক্ষতির কথা ভেবে। তবে সিটবেল্ট না বাঁধলে একটি ছোট দুর্ঘটনাও আপনার ভ্রুণের জন্য মারাত্মক ক্ষতি বয়ে আনতে পারে। তাই সিটবেল্ট বাঁধার বিষয়ে গাইনোকলজিস্টের পরামর্শ নিয়ে নিন।

Wednesday, July 26, 2017

শিশুর ডায়রিয়ার হোমিও চিকিৎসা

ডাঃ দাসঃ ডায়রিয়া একটি পানিবাহিত রোগ। তাই বর্ষা মওসুমে এর প্রাদুর্ভাবও বেশি। সব বয়সের মানুষের এটা হতে পারে। তবে শিশুদের জন্য এটি একটি বিশেষ গুরুতর সমস্যা। আমাদের দেশে শিশুমৃত্যুর হার অনেক বেশি। ডায়রিয়া এবং এর পরিণতি হিসেবে সৃষ্ট অপুষ্টি ও অন্যান্য রোগ এর জন্য অনেকাংশে দায়ী।
ডায়রিয়া হলে কী করবেন?
১। পানিস্বল্পতা যাতে না হয় সেজন্য শিশুকে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি তরল খাবার দিন। ডায়রিয়ার ফলে শরীর থেকে যতটুকু পানি ও লবণ বেরিয়ে যায় ঠিক এতটুকু পানি ও লবণ যদি সময়মতো পূরণ করা হয় তাহলে ডায়রিয়াজনিত পানিস্বল্পতার কারণে মৃত্যু ঘটে না।
• যেসব তরল খাওয়ানো যেতে পারে : (১) খাবার স্যালাইন, (২) লবণ-চিনি বা গুড়ের শরবত, (৩) ডাবের পানি কিংবা শুধু পানি, (৪) চিড়ার পানি, (৫) ভাতের মাড়, (৬) খাবার পানি।ডায়রিয়া বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত তরল খাবার চালিয়ে যেতে হবে।

Sunday, June 25, 2017

স্বামী ও স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ এক হলে কি হয়?

ডাঃ এস কে দাস:
স্বামী-স্ত্রীর ব্লাড গ্রুপ কেমন হওয়া উচিত সে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করার আগে প্রথমে আমাদের ব্লাড গ্রুপ সম্পর্কে কিছু কথা জানা দরকার। প্রধানত ব্লাড গ্রুপ কে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। একটা হল ABO system (A, B, AB & O), আরেকটা হল Rh factor {Rh positive (+ve) & Rh negative(- ve)}. অর্থ্যাৎ Rh factor ঠিক করবে ব্লাডগ্রুপ পজেটিভ হবে না নেগেটিভ হবে। ব্লাড গ্রুপগুলো হলঃ A+ve, A-ve, B+ve, B-ve, AB+ve, AB-ve O+ve, O-ve. 

জেনে নেয়া যাক, যদি অন্য গ্রুপের ব্লাড কারো শরীরে দেওয়া হয় তাহলে কী হবে? কেন টেস্ট করাবেন? যখন কোন Rh নেগেটিভ গ্রুপের ব্যক্তিকে Rh পজেটিভ গ্রুপের ব্লাড দেয়া হয় তখন প্রথমবারে সাধারণত কোন সমস্যা হবে না। কিন্তু এর বিরুদ্ধে রোগীর শরীরে এন্টিবডি তৈরী হবে। ফলে রোগী যদি আবার কখনও পজেটিভ ব্লাড শরীরের নেয় তাহলে তার ব্লাড cell গুলো ভেঙ্গে যাবে, এবং মারাত্মক সমস্যা দেখা দেবে। যেমন জ্বর, কিডনি ফেইলিউর, হঠাৎ মৃত্যু ইত্যাদি। এই সমস্যাকে মেডিকেল টার্ম এ বলা হয় ABO incompatibility।

চিকুনগুনিয়ার ব্যথা হলে যা করবেন

ডাঃ এস কে দাস: চিকুনগুনিয়া নামক ভাইরাস জ্বরের ব্যাপক প্রকোপ দেখা যাচ্ছে এবার। ভাইরাসজনিত এ জ্বরটি প্রাণঘাতী না হলেও এ রোগে আক্রান্তরা তীব্র থেকে তীব্রতর অস্থিসন্ধি বা জয়েন্ট ব্যথায় ভুগে থাকেন।
সাধারণত এ জ্বর দুই থেকে পাঁচ দিনের মধ্যে ভালো হয়ে গেলেও সন্ধির ব্যথা মাসব্যাপী রোগীকে কষ্ট দিতে থাকে। তাই ব্যথার কষ্ট থেকে মুক্তি পেতে কিছু পদক্ষেপ নেয়া যেতে পারে-
আক্রান্ত জয়েন্টে বরফ সেক দিলে তা খুব ভালো ফল দেয়। একটা তোয়ালে বা নরম কাপড়ে বরফকুচি নিয়ে ব্যথার স্থানে ৩ থেকে ৫ মিনিট ধরে রাখুন। এভাবে ১০-১৫ মিনিট বরফ সেক দেয়া যেতে পারে। এতে প্রদাহ কমে ব্যথা কমে আসবে। সরাসরি বরফ লাগাবেন না, এতে কোল্ড বার্ন হতে পারে।
ব্যথার স্থানে তিলের তেল দিয়ে হালকা ম্যাসাজ করা যেতে পারে। ম্যাসাজের ফলে ওই স্থানের রক্ত চলাচল বেড়ে ব্যথা কমবে। তবে অধিকহারে ও দীর্ঘ সময় ম্যাসাজ করা থেকে বিরত থাকুন। ফলে জয়েন্টের টিস্যু ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
অনেক চিকিৎসক এক গ্লাস দুধে আধা চা চামচ হলুদ গুঁড়া মিশিয়ে দিনে দু’বার খেতে বলেন। হলুদের প্রদাহবিরোধী উপাদান চিকুনগুনিয়াজনিত ব্যথা কমাতে সাহায্য করে বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে।
ডাঃ এস কে দাস
ডিএইচএমএস

Thursday, March 23, 2017

ডায়াবেটিস এর সঠিক চিকিৎসা

শক্তির জন্য দেহে শর্করা, আমিষ ও চর্বি জাতীয় খাদ্যের প্রয়োজন। ডায়াবেটিস হলে শর্করা ও অন্যান্য খাবার সঠিকভাবে শরীরের কাজে আসে না। ফলে শরীরে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। কিছু নিয়মকানুন মেনে চললে ডায়াবেটিস অনেকখানি নিয়ন্ত্রণে রেখে সু্‌স্থ্যভাবে জীবন যাপন করা যায়।
ডায়াবেটিস কি?
ডায়াবেটিস একটি বিপাক জনিত রোগ। আমাদের শরীরে ইনসুলিন নামের হরমোনের সম্পূর্ণ বা আপেক্ষিক ঘাটতির কারনে বিপাকজনিত গোলযোগ সৃষ্টি হয়ে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বৃদ্ধি পায় এবং এক সময় তা প্রস্রাবের সঙ্গে বেরিয়ে আসে। এই সামগ্রিক অবস্থাকে ডায়াবেটিস বলে।
ডায়াবেটিস ছোঁয়াচে বা সংক্রামক কোন রোগ নয়। আমরা আমাদের রোজকার জীবনে যতগুলো রোগের নাম আজকাল শুনি তার মধ্যে ডায়াবেটিস অন্যতম। ডায়াবেটিস এখন আর চল্লিশোর্ধ মানুষের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। ত্রিশোর্ধ বয়সের নারী পুরুষ থেকে শুরু করে গর্ভবতী নারী, কিশোর-কিশোরী এমনকি বাচ্চারা পর্যন্ত ডায়াবেটিসের শিকার হচ্ছে। কারণটা কখনো বংশগত আবার কখনো অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন। ডায়াবেটিস রোগটি নানারকম হতে পারে।
একে মূলত তিনভাগে ভাগ করা হয়েছে:
১। টাইপ ১ ডায়াবেটিসঃ এটি এক ধরনের ক্রনিক ডায়াবেটিস। এই ধরণের ডায়াবেটিসকে ইনসুলিন নির্ভর ডায়াবেটিসও বলা হয়ে থাকে। প্যানক্রিয়াস থেকে যখন খুব কম পরিমাণ ইনসুলিন উৎপন্ন হয় তখন এই ধরনের ডায়াবেটিস দেখা যায়।
লক্ষণঃ
যদিও সঠিক পরীক্ষা ছাড়া ডায়াবটিসের প্রকার বুঝা যায় না। তবে টাইপ ১ ডায়াবেটিসের কিছু প্রাথমিক লক্ষণ দেখা যায়। তা হলঃ
-প্রচুর পানির পিপাসা পায়।
-ক্ষুধা পাওয়া সত্ত্বেও ওজন কমে যায়।
-তলপেটে ব্যাথা করে।
-বারবার প্রসাবের বেগ আসে।
২। টাইপ ২ ডায়াবেটিসঃ এই শ্রেণীর রোগীর বয়স অধিকাংশ ক্ষেত্রে ত্রিশ বৎসরের উপরে হয়ে থাকে। তবে ত্রিশ বৎসরের নিচে এই ধরনের রোগীর সংখ্যা দিন দিন বেড়ে চলেছে। এই ধরনের রোগীদের শরীরে ইনসুলিন তৈরী হয় তবে তা প্রয়োজনের তুলনায় যথেষ্ঠ নয় অথবা শরীরে ইনসুলিনের কার্যক্ষমতা কমে যায়। অনেক সময় এই দুই ধরনের কারণ একই সাথে দেখা দিতে পারে। এই ধরনের রোগীরা ইনসুলিন নির্ভরশীল নন। অনেক ক্ষেত্রে খাদ্যাভাসের পরিবর্তন এবং নিয়িমিত ব্যয়ামের সাহায্যে এদের চিকিৎসা করা সম্ভব।
লক্ষণঃ
-ওজন বেড়ে যায়।
-হার্টের সমস্যা দেখা যায়।
-শরীর খারাপ লাগে সবসময়।
-সারাক্ষণ ক্ষুধা পায়।
-চোখে দেখতে অসুবিধা হয়।
৩। জেস্টেশনাল ডায়াবেটিসঃ গর্ভধারণের সময় যে ডায়াবেটিস হয় তাকেই জেস্টেশনাল ডায়াবেটিস বলে। এসময় শরীর আগের মত রক্তকে ব্যবহার করতে পারে না। ফলে এই সময় ব্লাড সুগারের পরিমাণ স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে বেড়ে যায়।বিপদ এড়ানোর জন্য গর্ভকালীন অবস্থায় ডায়াবেটিসের প্রয়োজনে ইনসুলিনের মাধ্যমে বিশেষভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখা দরকার। এই ধরনের রোগীদের প্রসব হাসপাতালে করা প্রয়োজন।
লক্ষণঃ
-পানি পিপাসা অনেক বেড়ে যায়।
-দেখতে কিছুটা সমস্যা হয়।
-অল্পতেই ক্লান্ত হয়ে যায়।
-ব্লাডার, স্কিন, এবং ভ্যাজাইনাতে ইনফেকশন হতে পারে।
আরও জানতে ক্লিক করুন
সত্যি বলতে কি, ডায়াবেটিস কোন একটি একক রোগ নয়, বরং বলা যায় এটি অনেকগুলো রোগের সমষ্টি (অর্থাৎ আমি বলতে চাচ্ছি যে, অনেকগুলো রোগ/ত্রুটি/বিকৃতি সম্মিলিতভাবে ডায়াবেটিসের সৃষ্টি করে থাকে)। এই কারণে, একজন হোমিওপ্যাথিক ডাক্তারের প্রয়োজন মানবতার এই ভয়ঙ্কর দুশমনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের সময় তার হাতে থাকা সকল প্রকার অস্ত্র প্রয়োগ করা। যদি ডায়াবেটিসের সাথে সাথে আপনার অন্যান্য রোগও (যেমন- উচ্চ রক্তচাপ, হাপাঁনি, মেদভূড়ি, বাতের সমস্যা, কিডনী রোগ, হৃদরোগ, স্মায়বিক রোগ ইত্যাদি) সেরে যায়, তবে বিস্মিত হবেন না। কেননা আমাদের হৃৎপিন্ড, ফুসফুস, লিভার, কিডনী, মস্তিষ্ক, পাকস্থলী, স্মায়ু, হরমোন গ্রন্থি, রক্ত, যৌনাঙ্গ, চোখ, হাড় ইত্যাদি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের ওপর এই এগারটি ঔষধের অনেক ইতিবাচক প্রভাব আছে।
চিকিৎসা নিতে যোগাযোগ করুন
 ডাঃ এস কে দাস
ডিএইচএমএস(ঢাকা)
০১৮১১৮৯৮০৬১

Thursday, March 16, 2017

পাইলসের সমস্যা দূর করতে তিনটি হোমিও ঔষধ

এস কে দাস:পাইলস শব্দটির অর্থ পিলার। মেডিকেলের ভাষায় একে হেমোরয়েড বলা হয়ে থাকে। সহজ বাংলায় মলদ্বারের রক্তনালী ফুলে যাওয়াকে পাইলস বলা হয়ে থাকে। তরুণ এবং বৃদ্ধরা সাধারণত পাইলসে আক্রান্ত হয়ে থাকেন।
৪৫ থেকে ৬৫ বছর বয়স সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ। নারী পুরুষ নির্বিশেষে রোগটির বিস্তার দেখা যায়। গবেষণায় দেখা যায় যে বিশ্বে শতকরা চার থেকে পাঁচজন এই রোগে আক্রান্ত।
মলত্যাগের সময় চাপ দেওয়ার বদ অভ্যাস ও কোষ্ঠকাঠিন্য পাইলস হওয়ার মূল কারণ। কারও কারও ক্ষেত্রে পাইলস বংশগত রোগও হয়ে থাকে। গর্ভকালীন সময়ে এবং বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পাইলস হওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়। এছাড়া স্থূলকায়, যকৃতের রোগী, বৃহদান্ত্রের প্রদাহ জনিত কারণ, বৃহদান্ত্র ও মলাশয় ক্যান্সারের রোগী, মলদ্বারের পূর্বের অপারেশন, আইবিএস ইত্যাদি রোগ থাকলে পাইলস হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে।
মলত্যাগের সঙ্গে রক্ত পাইলসের প্রধান উপসর্গ। মলের সঙ্গে তাজা রক্ত যায়। রোগীরা ফিনকি দিয়ে কিংবা টপ টপ করে রক্ত যাওয়ার অভিযোগ করেন। এছাড়া মলদ্বারে বাড়তি মাংস, চুলকানি, ভেজা ভেজা ভাব ও অস্বস্তি ইত্যাদি উপসর্গ থাকতে পারে।
পাইলসে সাধারনত ব্যথা হয় না। তবে জটিলতা হলে (রক্ত জমাট বাঁধা, রক্তনালী বন্ধ হয়ে যাওয়া ইত্যাদি) ব্যথা হতে পারে।
মলত্যাগের সময় চাপ দেওয়ার বদভ্যাস ত্যাগ, প্রয়োজনের অতিরিক্ত সময় টয়লেটে বসে থাকা ইত্যাদি বদভ্যাস ত্যাগ করা পাইলস চিকিৎসায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
প্রচুর পানি ও তরলজাতীয় খাবার পান করতে হবে। খাদ্যতালিকায় আঁশজাতীয় খাবার বেশি (শাকসবজি, ইসপগুলের ভুষি ইত্যাদি) এবং মাছ-মাংস পরিমাণ মতো রাখতে হবে। এরকম নিয়ম মেনে এবং সঙ্গে চিকিৎসকের পরামর্শ মতো ওষুধ (মলদ্বারের মলম, ক্রিম, ঢুশ, ওষুধ ইত্যাদি) ব্যবহার করে শতকরা ৮০ ভাগ পাইলস বিনা অপারেশনে চিকিৎসা সম্ভব।এজন্য ভাল একজন হোমিওডাক্তারের শরনাপন্ন হণ।

ডাঃ এস কে দাস
ডিএইচএমএস(ঢাকা)
01911334810

Monday, February 6, 2017

৭টি কঠিন রোগের সমাধান মিলবে কিশমিশ খেলে!

ডেস্ক ॥ আমাদের মধ্যে ধারণা রয়েছে কিশমিশ খেলে নাকি দাঁতের ক্ষতি হয়। এটি মোটেও ঠিক নয়, এই ধারণা একেবারে ভুল। কিশমিশ স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী। কঠিন রোগের সমাধান মিলবে কিশমিশ খেলে!

raisins
প্রতিদিন কিশমিশ খাওয়ার অভ্যাস করলে আপনি নানা ধরণের শারীরিক সমস্যা হতে মুক্তি পেতে পারেন। তবে ডায়বেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে কিশমিশ খাওয়া চলবে না।

কী কী উপকার হতে পারে এই কিশমিশে? জেনে নিন:

১. অনেকেই ভেবে থাকেন কিশমিশে চিনি রয়েছে যা দাঁতের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। তবে সেই ধারণা একেবারে মিথ্যা। কিশমিশে রয়েছে ওলিনোলিক অ্যাসিড যেটি মুখের ভেতরে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে বাঁধা সৃষ্টি করে এবং ক্যাভিটি প্রতিরোধেও কাজ করে।
২. উচ্চ রক্ত চাপের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে রাখতে কিশমিশের জুড়ি নেই। কারণ কিশমিশের পটাশিয়াম উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। অতিরিক্ত সোডিয়াম রক্ত হতে দূর করে উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা প্রতিরোধ করে থাকে।
৩. মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়ায় কিশমিশ। এতে রয়েছে বোরন যা মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে থাকে। বোরন হলো মনোযোগ বৃদ্ধিতে বিশেষভাবে কার্যকরী একটি উপাদান। মাত্র ১০০ গ্রাম কিশমিশ হতে প্রায় ২.২ মিলিগ্রাম বোরন পাওয়া যায়।
৪. চোখের সুরক্ষা করতে হলে প্রতিদিন কিশমিশ খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে। তাছাড়া বার্ধক্যজনিত চোখের সমস্যা সমাধান করে এই কিশমিশ। কিশমিশের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও পলিফেলন ম্যাকুলার ডিগ্রেডেশন প্রতিরোধ করে চোখের সুরক্ষায় কাজ করে।
৫. কলোরেক্টাল ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে হলে ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার সবচাইতে বেশি কার্যকরী। মাত্র ১ টেবিল চামচ কিশমিশ আপনাকে প্রায় ১ গ্রাম পরিমাণ ফাইবার দিতে সক্ষম। শুধু তাই নয়, কিশমিশের টারটারিক অ্যাসিড হজম সমস্যা দূর করে পরিপাকতন্ত্রের সুরক্ষা করে থাকে।
৬. রক্তস্বল্পতার সমস্যা একটি বড় সমস্যা। আমরা সকলেই জানি দেহে আয়রণের অভাবে রক্তস্বল্পতার সমস্যা শুরু হয়। কিশমিশে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রণ। ১ কাপ কিশমিশে রয়েছে প্রায় ৬ মিলিগ্রাম পরিমাণ আয়রণ যা আমাদের দেহের প্রায় ১৭% আয়রণের ঘাটতি পূরণ করতে পারে।
৭. অ্যাসিডিটির সমস্যা সমাধানে কিশমিশের জুড়ি নেই। কিশমিশের ম্যাগনেসিয়াম ও পটাশিয়াম আমাদের পাকস্থলীতে যে অতিরিক্ত অ্যাসিড হয় বা অ্যাসিডিটির সমস্যা তৈরি করে তা দূর করতে সহায়তা করে কিশমিশ।

Wednesday, November 16, 2016

যে লক্ষণ বলছে আপনি ডায়াবেটিসে আক্রান্ত

অনেক সময় লক্ষণগুলোকে ক্ষতিহীন বা স্বাভাবিক মনে করার ফলে ডায়াবেটিসের চিকিৎসা করানো হয় না।
লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে
প্রায়ই মূত্রত্যাগ: আপনি কি প্রায়ই বাথরুমে যান বা দিনভরই মূত্র ত্যাগ করতে থাকেন? মূত্রত্যাগ বাড়তে থাকে যদি রক্তে অতিরিক্ত গ্লুকোজ থাকে। যদি ইনসুলিন অকার্যকর বা অপর্যাপ্ত হয় তাহলে কিডনি অতিরিক্ত গ্লুকোজ পরিশোধিত করে রক্তে ফেরত পাঠাতে ব্যর্থ হয়।

Wednesday, November 9, 2016

স্বামী স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ মিলে গেলে সম্ভাব্য সমস্যা

স্বামী-স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ মিলে গেলে সাধারণত কোন সমস্যা হয় না। সমস্যা হয় মূলত, স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ নেগেটিভ ও স্বামীর রক্তের গ্রুপ পজেটিভ হলে। সাধারণত এসব ক্ষেত্রে, বাচ্চা হলে বা গর্ভপাত হলে মাকে এন্টি-ডি ইঞ্জেকশন দিয়ে সম্ভাব্য বিপদ এড়ানো সম্ভব।
স্বামী বা স্ত্রী যে কোন একজন নেগেটিভ ব্লাড গ্রুপের অধিকারী হলে জন্মানোর সাথে সাথে বাচ্চার রক্তের গ্রুপ পরীক্ষা করিয়ে নেওয়া প্রয়োজন এবং সমস্যার সম্ভাবনা থাকলে ডাক্তারের পরামর্শ মত ব্যবস্থা নিতে হবে।
স্বামী-স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ একই হলে, পরিবার সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত স্বামী, স্ত্রীকে রক্ত না দেওয়াই ভাল। কারণ সেক্ষেত্রে ভবিষ্যতে সন্তানের সমস্যা হতে পারে। পরিবার পূর্ণ হলে বা জরুরি ক্ষেত্রে স্বামীর রক্ত স্ত্রীকে দেওয়ার বিষয়টি বিবেচ্য হতে পারে।
ডাঃ এস কে দাস
ডিএইচএমএস(হোমিও)

Tuesday, November 8, 2016

৭ স্বাস্থ্য সমস্যা দূর করে একটিমাত্র তুলসী পাতা

তুলসীকে ভেষজের রানী বলা হয়। অনেকগুলো স্বাস্থ্য সমস্যার সমাধান করে দেয় এই ছোট পাতাটি। ত্বকের ব্রণ দূর করা থেকে শুরু করে মরণব্যাধি ক্যান্সার প্রতিরোধেও তুলসী পাতা কার্যকর। প্রতিদিন একটি মাত্র তুলসী পাতা আপনাকে দূরে রাখবে ৭টি অসুখ থেকে।   
১। ব্রণ দূর করতে
ব্রণ এবং ব্রণের দাগ দূর করতে তুলসী পাতার জুড়ি নেই। এর অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টি ফাঙ্গাল উপাদান ব্রণের ইনফেকশন দূর করে দেয়। চন্দনের গুঁড়োর সাথে নিমের পেস্ট এবং গোলাপ জল ভাল করে মিশিয়ে নিন। এটি ব্রণের উপর ব্যবহার করুন।
২। মাথাব্যথা দূর করতে
মাথাব্যথা খুব পরিচিত একটা রোগ। এটি যে কোন সময় যে কারোর হতে পারে। এই ব্যথা অল্প থেকে শুরু হলেও তীব্র হতে বেশি সময় লাগে না। তুলসীপাতা এই মাথাব্যথা দূর করতে সাহায্য করে থাকে। এতে রয়েছে শক্তিশালী প্রাকৃতিক গুণাগুণ যা মাথাব্যথা দূর করে থাকে। এমনকি মাইগ্রেন, সাইনাস, কারণে মাথাব্যথাও দূর হতে পারে কেবল প্রতিদিন একটি তুলসীপাতা খেলে।

শিশুদের হঠাৎ ঠান্ডা জ্বর- কাশি হলে কি করবেন!

সকালে গরম আর সন্ধাঅব্দি শীতল বাতাস। এ যেন শীতের আগমনী বার্তাই জানান দিচ্ছে প্রকৃতি। ঠান্ডা কিংবা গরম আবহাওয়া আমাদের শরীরের স্বাভাবিক সঞ্চালন প্রক্রিয়াকে নষ্ট করে। হঠাৎ ঠান্ডা কাশি গলাব্যথা, শ্বাসকষ্ট হলে আমাদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা ব্যাহত করে।

কারণ
ঠান্ডা কাশি যে ভাইরাসগুলোর কারণে সৃষ্টি হয় তা কম তাপমাত্রায়, কম আর্দ্রতায় এবং পরিবেশ পরিবর্তনের কারণে প্রাদুভাব ঘটে বেশি। শ্বাসতন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যক্রমকে নষ্ট করে কাশি, গলাব্যথা, শ্বাসকষ্ট তৈরি করতে পারে। এর সঠিক চিকিৎসা না হলে সেকেন্ডারি ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশন হয়ে সাইনোসাইটিস, ব্রংকাইটিস, নিউমোনিয়া, হাঁপানিসহ নানা জটিলতা তৈরি হয়।

Sunday, October 9, 2016

১১টি হোমিও ঔষধে ডায়াবেটিসের চিরতরে মুক্তি

ডাঃ এস কে দাস: ডায়াবেটিস সম্পূর্ণ নিমূর্ল করার জন্ আমার  এই ফরমূলাটি অনুসরন করলে শতকরা ৯৫ ভাগ ডায়াবেটিস রোগী পু্রোপুরি ডায়াবেটিস মুক্ত হবেন বলে আমি আশাবাদী। যদিও কিছু রোগী পু্রোপুরি ডায়াবেটিসমুক্ত হবেন না ; তারপরও তারা অন্য যে-কোন চিকিৎসা পদ্ধতির চাইতে অন্তত দশগুণ ভালো রেজাল্ট পাবেন। প্রতিটি ঔষধ আপনি প্রতিবার মাত্র এক সপ্তাহ করে খাবেন। এইভাবে ঔষধগুলি চক্রাকারে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে বারে বারে খাবেন (অর্থাৎ ১১ নাম্বার ঔষধটি খাওয়ার পরে আবার ১ নাম্বার থেকে একই নিয়মে খাওয়া শুরু করবেন)। আপনার সুগার লেভেল যদি অনেক বেশী হয়, তবে দিগুণ মাত্রায় ঔষধ খেতে পারেন (অর্থাৎ ২০ ফোটা করে)। আবার শিশু-কিশোরদের ক্ষেত্রে ৫ ফোটা করে খাওয়াতে পারেন, যদি তাদের সুগার লেভেল অনেক কম থাকে ; তবে অন্যান্য নিয়ম-কানুনের কোন পরিবতর্র্র্র্নের প্রয়োজন নাই।

Tuesday, October 4, 2016

ডায়বেটিস রোগ কেন হয়?

ডায়বেটিস হলো রক্তের উচ্চ গ্লুকোজ জনিত স্বাস্থ্য সমস্যা। তেল ছাড়া । মানবদেহ এক ধরনের যন্ত্র।  আমাদের দেহের গ্লুকোজকে কাজে লাগাতে হলে ইনসুলিন নামের একটি পদার্থের প্রয়োজন। ইনসুলিনের কাজ হলো রক্ত থেকে গ্লুকোজের কণাগুলোকে টেনে এনে দেহের কোষে দেওয়া। এই ইনসুলিন তৈরি হয় অগ্ন্যাশয় থেকে। যখন অগ্ন্যাশয় যথেষ্ট পরিমাণ ইনসুলিন তৈরি করতে না পারে অথবা তৈরি হওয়া ইনসুলিন দেহ ঠিকমত ব্যবহার করতে না পারে তখনই রক্তে বাড়তে থাকে গ্লুকোজ। আর এর ফলে দেহে তৈরি হয় নানা অসামঞ্জস্য। এর নাম ডায়াবেটিস বা বহুমূত্র রোগ।

গরুর দুধ পান করালে যে যে সমস্যাগুলো হতে পারে

বিকল্প দুধে সবসময়ই রোগজীবানু বহন করার ভয় থাকে। কারণ দুধ, নিপল এবং বোতলের সাথে অথবা বিকল্প দুধ তৈরীতে ব্যবহৃত পানির সাথে রোগজীবাণু থাকার সম্ভাবনা রয়ে যায়। তাই শিশুর ঘন ঘন অসুখ হয়। তাছাড়া এই সময় গরুর দুধ পান করানোটাও উচিত হয়। শিশুর এক বছর বয়সের মধ্যে গরুর দুধ পান করালে যে সকল সমস্যা হতে পারে:-
রক্তাল্পতা :- গরুর দুধে আয়রন কম থাকায় এবং দুধের ক্যালসিয়াম ও ক্যাসিন আয়রন শোষণে বাধা দেওয়ায় গরুর দুধের ওপর নির্ভরশীল ১ বছরের নিচের প্রায় সব শিশুই আয়রনের অভাবজনিত রক্তাল্পতায় ভোগে।